বেশির ভাগ লোকই ডোমেইন কি তা জানে, তবে হোস্টিং কি তা বুঝতে পারে না। আপনি যদি একটি ডোমেইন কিনেন অবশ্যই তার জন্য একটি হোস্টিং কিনতে হবে। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন মানে ইন্টারনেটে আপনি একটি স্থান কিনলেন, এখন আপনার ডোমেইনটিকে ২৪/৭ অনলাইনে রাখতে হবে। এর জন্য দরকার আপনার হোস্টিং কোম্পানি। কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আজকের কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই ওয়েবসাইট সম্পর্কে অবগত আছেন। সহজ ভাষায় বলা যায়, ওয়েবসাইট হল আপনার তথ্যকে অন্যের সামনে উপস্থাপন করার রাস্তা- সেটা টেক্সট বা মাল্টিমিডিয়া (যেমনঃ ছবি, অডিও বা ভিডিও) যে কোন ধরনের হতে পারে। ওয়েবসাইটে সেগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা ওয়েব ডেভেলপারের কাজ। আর আপনার ওয়েবসাইটটি অন্যদের দেখার জন্য উপযোগী করাই ওয়েব হোস্টিং নামে পরিচিত । শেয়ার্ড , ভিপিএস এবং ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝে পার্থক্য

আপনার ওয়েবসাইটটিকে যদি তুলনা করা হয় আপনার প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং হিসাবে, তবে তার তথ্য বা কনটেন্ট হবে এর আসবাবপত্র। আর ওয়েবসাইট ডেভেলপ করাকে তুলনা করা যাবে বাড়িটি তৈরি করার সাথে। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইট হোস্টিংকে তুলনা করা যায় আপনার অফিস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা কেনা এবং সে জায়গায় বাড়িটি তৈরি করার সাথে। তবেই ভিজিটররা ওয়েবসাইটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। কোন ওয়েব সাইট যে জায়গা জুরে থাকবে সেটাই ওই সাইটের হোস্টিং। আমরা দেখি যেকোন ওয়েব সাইট কিছু টেক্সট এবং মাল্টিমিডিয়া (Picture / Video) দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। এই গুলা যে জায়গা বা BIT দখল করে তাকে ওই সাইটের হোস্টিং বলে। তবে সব থেকে ভাল হয় Domain and Hosting উদাহরন দিয়ে বোঝান যায়।
ধরুন…
1/ আপনার একটি বাড়ি আছে।
2/ বাড়িটি ১ একর জমির উপর আছে।
3/ বাড়িটি ঠিকানা ১০১/নিকুঞ্জ, খিলখেত, ঢাকা।

ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে বলতে গলে
১-আপনার বাড়ি টায় আপনার সাইটের কনটেন্ট
২-বাড়ির জমি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইটের হোস্টিং
৩-বাড়ির ঠিকানা হল ওয়েব সাইটের ডোমেইন

হেস্টিং কয়েক ধরনের হতে পারে যেমন:
Shared Hosting,
Dedicated Hosting,
Virtual Private Server ইত্যাদি

HostDokan.Com হোস্টদোকান বাংলাদেশের জনপ্রিয় হোস্টিং কোম্পানি। আমরা নিজস্ব ডেডিকেটেড সার্ভার থেকে হোস্টিং প্রভাইড থাকি।

আপনার যেই হোস্টিং প্যাকেজটি ভালো লাগে আপনি সেটি আমাদের কাছ থেকে কিনতে পারেন।

হোস্টিং সাইটের ঠিকানা: www.hostdokan.com

আমাদের কাছ থেকে হোস্টিং নিতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: +8801742802367

ব্যান্ডওয়াইডথ হচ্ছে সার্ভার থেকে ইউজারের (ইউজার হচ্ছে ঐ ব্যাক্তি যে আপনার সাইটটি ব্রাউজ করে) কম্পিউটারে মাসে কতটুকু ডেটা transfer হবে।যদি আপনার সাইট অনেক বিখ্যাত হয় এবং প্রতিদিন হাজার হাজার বার ভিজিট হয় তাহলে আপনার অনেক ব্যান্ডওয়াইথ লাগবে।অনেকে অল্প ব্যান্ডোয়াইথ নেয় হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে ফলে মাসের মাঝখানে সাইট damage হয়ে যায়।মনে হয় সে ধারনাই করতে পারেনাই যে তার সাইট টি এত লোক ভিজিট করবে।হোস্টিং প্রোভাইডাররা তাদের প্যাকেজগুলোতে প্রতিটি প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ব্যান্ডোয়াইথ নির্দিষ্ট করে দেয় যেমন 5GB, 8GB ইত্যাদি।আপনার কোনটি দরকার তা হিসেব করে দেখবেন নিচে একটা হিসেব করার নিয়ম দেয়া হল-

পেজের গড় সাইজ*আনুমানিক মাসে কতবার পেজ ভিজিট হবে

যদি পেজের সাইজ গড়ে 30KB হয় আর আপনার অনুমান মাসে 50,000 বার পেজ দেখা হবে তাহলে আপনার মাসে ব্যান্ডওয়াইথ দরকার হবে 0.03MB*50000=1.5GB

বড় বড় কমার্শিয়াল সাইটগুলির মাসে 1000GB এর চেয়েও বেশি ব্যান্ডওয়াইথ খরচ হয়।

* আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস : অনেকেই নতুন ওয়েব সাইট তৈরী করার সময় আনলিমিটেড হোস্টিং এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। মনে রাখবেন আনলিমিটেড এর একটা লিমিট আছে এবং বোনাস হিসেবে সেইটার সাথে আনলিমিটেড সমস্যা থাকে। আপনি কি কোনদিন আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক দেখেছেন, যেটার মধ্যে ফাইল কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিস আপনি যতই রাখুন না কেন সেটার স্পেস কোনদিন শেষ হবে না। এটা কি সম্ভব? যদি উত্তর আপনার না হয় তাহলে আশা করি এখন থেকে ভাববেন আনলিমিটেড ডিস্ক বলতে কোন কিছু হয়না। কারন আপনার প্রোভাইডার এর সার্ভার ও এই আমার আপনার মত কম্পিউটার এর হার্ডডিস্ক এর মত ডিস্ক থেকে সেবা দিয়ে থাকে। সুতরাং সার্ভারের ডিস্ক আনলিমিটেড না হলে আপনি কিভাবে আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস পাবেন? কি ধরনের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করা ভালো হবে।

* আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ : এখন হয়ত বলবেন আনিলিমিটেড ডিস্ক স্পেস নাই পেলাম। কিন্তু আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ তো অবশ্যই পাবো। ভাই দাড়ান, এখানেও কথা আছে। প্রত্যেকটা সার্ভারের পোর্ট স্পীড কিন্তু ফিক্সড করে দেওয়া থাকে। যেমন আপনার পিসির ল্যান কার্ডের স্পীড নির্দিষ্ট করা থাকে। অবশ্য সেটা আপনার প্রয়োজনে পিসি/সার্ভার এর পোর্ট স্পীড আপগ্রেড করতে পারবেন।

এখন দেখুন কোন পোর্ট সর্বোচ্চ মাসিক কতটুকু ব্যান্ডউইথ দিতে পারেঃ

10 Mbps port speed = 3287 গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ
100 Mbps = 32871 গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ
1 Gbps = 328717 গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ
10 Gbps = 3287179 গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ
এই ব্যান্ডউইথ দিতে পারবে যদি সার্ভার এর পোর্ট সবসময় লোড খাকলে। যা বাস্তবিক পক্ষে কোনদিনই সম্ভব না। আর আপনার প্রোভাইডার নিশ্চয় সেখানে আপনার একার সাইট হোস্ট করবেনা, সেখানে আপনার মত প্রচুর আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ দরকার এই রকম ক্লায়েন্ট বহু আছে। সো এই লিমিট ব্যান্ডউইথ থেকে আপনি কিভাবে আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ পাবেন? প্রশ্নটা আশা করি ক্লিয়ার।

আনলিমিটেড আসলে কি :
এখন নিশ্চয় মাথায় হাত। ভাবছেন তইলে কেমনে কি? তাহলে বিভিন্ন কোম্পানী আনলিমিটেড বিজ্ঞাপন দেয় কেন? আসলে হচ্ছে এটা একটা মার্কেটিং পলিসি। কেননা বাস্তবিক আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস/ব্যান্ডউইথ বলে কিছু নেই। ৫/১০ ডলার মাসিক আনলিমিটেড হোস্টিং এর বিল দিয়ে যদি সাইট চালানো যেত তাহলে আর পৃখিবীতে ডেডিকেটেড/ভিপিএস/ক্লাউড হোস্টিং নামে কোন সার্ভিস/সার্ভারের দরকার পরতো না। সব ঐ আনলিমিটেড দিয়ে চলে যেত। কিংবা ঐ সব আনলিমিটেড হোস্টি কোম্পানীর আর ডেডিকেটেড/ভিপিএস/ক্লাউড সার্ভিস নামে কোন প্রোডাক্ট থাকতো না। মনে রাখবেন, আনলিমিটেড হোস্টিং কোম্পানী একটা সময় অবশ্যই কোন না কোন কারন দেখিয়ে আপনার সাইট সাসপেন্ড করে দিবে। আশা করি বুঝে গেছেন, আনলিমিটেড আসলে কি?

আমাদের কাছ থেকে হোস্টিং নিতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: www.hostdokan.com