টুথ পেস্ট শেষ হয়ে গেছে। এতো কিছু তো আর জমানো যায় না। ভাবলাম, গোসলের আগে জুয়েলদের বাড়িতে যাই,। ওদের বাড়িতে নিমের গাছ আছে। দুইটা ডাল কেটে নিয়ে আসি।
.
গিয়ে দেখি আমার আপায় জুয়েলরে ডাহে,
এই ওঠ। এই সুমাই ঘুমাইতাছস কেরে গাধার বাচ্চা। ওঠ। ভাত দিছি। তোর বাহে তোরে ডাকতাছুইন। ওঠ কইলাম।
– আম্মা তোমার লজ্জা শরম নাই? এই মাত্র না আমারে গালাগালি করলা? আবার কতা কইতে আইছ? আমি তো মনে করছি আমি সাত দিন তোমার নগে কতা কইয়াম না।
মায়ে কি কয়-
-লজ্জা শরম নাই আমার। লজ্জা যদি থাকত রে বেডা, কবেই তোরে হিয়াল – কুত্তায় টাইনে জঙ্গলে নিয়া যাইতো।
.
আমার আর সহ্য হল না। মায়েরে অপমান কইরা কতা কয় আহাম্মকের বাচ্চা। (অবশ্য আমার ভাই আহাম্মক না)।
ঘটনা কি আপা কইনছেন? যা শুনলাম।
.
জুয়েল খাদকে সকালে কয়, আম্মা, আমার না মাশের ডাইল দিয়ে খিচুরি খাইতে ইচ্ছা করছে। হের মধ্যে একটু গরুর গোস্ত দিবা।
মায়ে কুইছুইন, আইজকা না। আইজকা আমার শরীলটা বালা না। তোরে শুক্কুর বাড়ে খাওয়াইয়াম খিচুড়ি।
.
আর যাস কই। নবাবের বেটা চিল্লা চিল্লি কইরে গিয়ে শুইয়ে পড়ছে। খাইতোও না, আইজ্জা আর উঠতোই না।
.
শুইয়া মনে মনে স্বপ্ন দেহা শুরু। বিয়া করবাম। শ্বশুর বাড়ি যাইয়াম । বউরে কইয়াম নলে শালীরে কইয়াম, আমার মাশের ডাইল দিয়ে খিচুড়ি খাইতে ইচ্ছা করছে। পরে মজা কইরে ইচ্ছা মুতন খাইয়াম।
.
এমন সুমাই মায়ে ডাহাডাহি শুরু করছুইন। আবার আমি গেছি । আমরারে এই ছাগলে এমনিতেই পছন্দ হরে না। আমি যে উচিত কতা কই। হের লেইজ্ঞা।
.
মায়েরে যে অত্যাচার তুই আমি করছি রে বেডা, মায়ের লজ্জা ঘৃণা রাগ থাকলে আসলেই হিয়াল কুত্তায় লইয়া যাইত। বেডা এহন মাফ চাবি। আর মায়েরে কবি, তোরার বুল অইছে। মায়ের কাছে এক ঘণ্টা বইয়া থাকবি।