বিশ্বকে আরও উন্নত ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছেন বিল গেটস। কিন্তু এখনকার যুগে অনেকেই স্মার্টফোন নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু বিল গেটস সে রকম মানুষ নন। তিনি এখনো নির্ভর করেন কম্পিউটারের ওপর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কিছু ই-মেইল পড়ার কাজ তিনি মোবাইল ফোনে সারেন কিন্তু একজন পুরোদস্তুর পিসিকেন্দ্রিক মানুষ। তাঁর ডেস্কে বিশাল স্ক্রিনের একটি কম্পিউটার বসানো আছে। রাতের বেলা তিনি বড় আকারের মেইলগুলো পড়েন।

গত ২৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে জনপ্রিয় টেক ইউটিউবার মারকুয়েস ব্রাউনলিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এসব কথা বলেন।

বিল গেটস বলেন, এখন তিনি মূলত করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত বড় বড় মেইল পাচ্ছেন। অনেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠান এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসবে কি না, তা জানতে চান। এসব প্রশ্নের উত্তর তিনি দ্রুত দিয়েছেন বলেও জানান।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১০ কোটি ডলার দানের ঘোষণা দিয়েছেন বিল গেটস।

মারকুয়েস ব্রাউনলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়েও কথা বলেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁরা গাড়ি নির্মাতা টেসলাসহ অন্য গাড়ি নির্মাতাদের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম প্রিমিয়াম পয়েন্টে রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন। তা না হলে এটি টেকসই পরিবহন হিসেবে টিকতে পারবে না বলেও আলোচনায় উঠে আসে।

বিল গেটস মনে করেন, আগামী দশকে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এ সময় বিল গেটস তাঁর প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি পোরশে টাইকানের নামও উল্লেখ করেন। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়াটাইমস ও ইউটিউব