ফ্রিলান্সিংএখন একটি ফ্যাশন এর জায়গা। এর মাধ্যমে বর্তমান সময়ে ভালো বেতনের কাজের অনেক সুযোগে রয়েছে এবং এই কাজের জন্য রয়েছে অসংখ্য ওয়েবসাইট। এই সকল ওয়েব সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি বাড়িতে বসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাজ করতে পারেন। জনপ্রিয় ৫ টি ফিলান্সিং সাইট সর্ম্পকে বলব যে গুলাতে প্রচুর পরিমানে কাজের সুযোগ রয়েছে এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়।
১.Upwork
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আপওয়ার্ক তাদের কার্যক্রম শুরু করে।তবে ২০১৫ এর আগে odesk নামে পরিচিত ছিল।এখানে ৫০ লক্ষের মতো ক্লায়েন্ট রয়েছে। এবং প্রতি বছর ৩০ লক্ষ মতো জব পোস্ট হয় যেখান থেকে লেনদেন হয় লক্ষ কোটি ডলার এর মতো।
বাংলাদেশে ও এর জনপ্রিয়তা অনেক।
কাজের ধরন: সফট্যওয়ার ডেভেলপার, গ্রাফিক্র ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার। আরও পড়ুন আপওয়ার্ক প্রোফাইল যেভাবে সাজাবেন

2. Toptal :
যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভেলি থেকে কার্যক্রম চালানো toptal ২০১০ সালে যাত্রা শূরু করে।বাংলাদেশে ততটা জনপ্রিয় না হলে পৃথীবির অন্যান্য দেশে বেশ জনপ্রিয় এই ফ্রিলান্সিং সাইট। এখানে শুধুমাত্র অত্যান্ত দক্ষ ফ্রিলান্সারা কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকে।

কাজের ধরন: সফট্যওয়ার ডেভেলপার, গ্রাফিক্র ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার।
৩.fiverr:
বর্তমা সময়ে সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশে জনপ্রিয় ওয়েব সাইট হচ্ছে ফাইবার।এটি ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা হয়ে টে। ফ্রিলান্সাররা তাদের কাজ কে মাত্র ৫ ডলার থেকে অফার শূরু করে। এবং অন্যন্যা ওয়েব সাইট থেকে এটা কিছুটা ভিন্ন কারন এই খানে ফ্রিলান্সাররা সার্ভিস আগে থেকে অফার করে থাকে যেটাকে বলা হয় গিগ।এবং ক্লায়েন্টরা গিগ কেনার মাধ্যমে সেবা নিয়ে থাকে।
কাজেন ধরন: যেকোনো স্কিল
তাকলে করা যায়। আরও পড়ুন কিভাবে ফাইবারে সুন্দরভাবে গিগ তৈরি করতে পারি।

৪. freelancer
২০০৯ সাল থেকে অস্ট্রোলিয়া থেকে ফ্রিলান্সার ডট কম যাত্রা শুরু করে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২১০৮৪৪৪৯ লোক এটি ব্যবহার করে। এইখানে ফ্রিলান্সাররা সাধারনত বিড করার মাধ্যমে কাজ পেয়ে থাকে।অর্থাৎ ক্লায়েন্টরা এখানে জব পোস্ট করে এবং ফ্রিলান্সার আবেদন(বিড) করার মাধ্যমে, কাজ পেয়ে থাকে। আরও পড়ুন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল জেনে নিন।

কাজের ধরন: যে কোন ধরনের কাজ।
৫. কাজ কি?
এটি একটি প্রথম বাংলাদেশী ফ্রিলান্সিং ওয়েব সাইট। এইখানে ফ্রিলান্সাররা সাধারনত বিড করার মাধ্যমে কাজ পেয়ে থাকে।অর্থাৎ ক্লায়েন্টরা এখানে জব পোস্ট করে এবং ফ্রিলান্সার আবেদন(বিড) করার মাধ্যমে, কাজ পেয়ে থাকে।