সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক। ফেসবুক মানুষের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন সৃষ্টি করেছে। যে মানুষের সঙ্গে মাসে বা বছরে একবারও দেখা হয় না ফেসবুকের সৌজন্যে প্রতিদিনই তাদের দেখা যায়।

তবে ফেসবুকের কারণে আবার বিড়ম্বনারও শিকার হতে হয় অনেককে। বিশেষ করে সেলিব্রেটিরা এ ধরনের বিড়ম্বনার শিকার বেশি হন। সেলিব্রেটিদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অনেকে প্রতারণাও করেন।

নিচে ভুয়া অ্যাকাউন্ট চেনার ৯টি উপায় ট্রিকবিডির ভিজিটর দের জন্য দেয়া হল-

১. অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইলে দেয়া ছবিগুলো চেক করলেই বুঝতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি আসল নাকি ভুয়া। যদি প্রোফাইলে একটি বা দুইটি ছবি থাকে তাহলে সেটা ভুয়া অ্যাকাউন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২. ভুয়া অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ফটো কখনও আসল হয় না। ডিপি-টি ভুয়া কিনা, তা জানার জন্য ছবিটি ডাউনলোড করে নিয়ে গুগল ইমেজ সার্চে (images.google.com) গিয়ে ছবিটি দিয়ে সার্চ করলেই বের হয়ে আসবে ছবিটি আসলে কার।

৩. অ্যাকাউন্টটির অ্যাক্টিভিটি কেমন? স্টেটাস আপডেট কিংবা পোস্ট খুব কম বা অনিয়মিত কিনা প্রভৃতি বিষয়গুলো খেয়াল করলেই বোঝা যাবে অ্যাকাউন্টটা আসল নাকি ভুয়া। যে অ্যাকাউন্টটির অ্যাক্টিভিটি বেশি, পোস্ট বেশি সেটি আসল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪. সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টের ফ্রেন্ডলিস্টে মিউচুয়াল ফ্রেন্ড আছে কিনা। বা ওই অ্যাকাউন্ট থেকে অন্যদের অনিয়মিতভাবে অ্যাড করছে কিনা এগুলো খেয়াল করলেই বের করা যাবে অ্যাকাউন্টটি ফেক নাকি আসল।

৫. ফ্রেন্ডলিস্টে যদি সকলেই পুরুষ, কিংবা সকলেই নারী থাকে তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট ফেক হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

৬. অ্যাকাউন্টটির ‘অ্যাবাউট’ অংশটিতে যদি স্কুল, কলেজ, বা কর্মস্থল সম্পর্কে দেয়া তথ্যের গড়মিল থাকে বা কোনো তথ্য না থাকে তাহলে বোঝা যাবে যে অ্যাকাউন্টটি ভুয়া।

৭. অ্যাকাউন্টটিতে থাকা জন্ম তারিখ যদি ১ জানুয়ারি, ৩১ ডিসেম্বর, কিংবা ১৫ অগস্টের মতো কোনো তারিখে হয় তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট ভুয়া হতে পারে।

৮. সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টটির ফেসবুক ওয়ালে যদি ‘থ্যাঙ্কস ফর অ্যাডিং মি, ডু আই নো ইউ’ এই জাতীয় পোস্ট অনেকগুলি রয়েছে কিন্তু একটিরও কোনো উত্তর সে দেয়নি, তাহলে সেই অ্যাকাউন্টটি ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।

৯. অ্যাকাউন্টটিতে কোনো মেয়ের ছবি রয়েছে এবং সেই সঙ্গে দেয়া রয়েছে নিজের মোবাইল নম্বরও? তাহলে বুঝে নেবেন এটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট।