একদম সহজ করে বললে প্রোডাক্টিভিটি বলতে বোঝায় কোনো কাজের পেছনে আপনার পরিশ্রমের বদৌলতে আপনি ঠিক কতটুকু ফলাফল পাচ্ছেন। মানে আপনার পরিশ্রম আর পরিশ্রমের ফলাফলের অনুপাতকেই আমরা বলছি প্রোডাক্টিভিটি

এই প্রোডাক্টিভিটি আপনাদের অনেকেরই উৎসাহ কিংবা হতাশার কারণ। কেননা অনেকেই পরিশ্রম অনুযায়ী অসাধারণ সব সাফল্যের মুখ দেখেছেন,মানে প্রোডাক্টিভিটি ঠিকঠাক মতোই কাজ করছে। আবার অনেকেই আছো, যারা শ্রম দিয়েও আশানুরূপ কোনো ফলাফল পাচ্ছেন না, দিনদিন হতাশ হয়ে পড়ছেন।

সব হতাশা থেকেই পরিত্রাণের উপায় আছে। আপনার যদি মনে হয় প্রোডাক্টিভিটির ব্যাপারটি আপনার সাথে ঠিকঠাক মতোই এগুচ্ছে, তাহলে আপনাকে অভিবাদন জানাই। কিন্তু পরিশ্রম করেও নিজের মধ্যে যদি প্রোডাক্টিভিটির দেখা না পান, তবে আমার মনে হয় প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর কিছু মৌলিক ধারণায় আপনার ঘাটতি রয়েছে।

আপনার কাজটির জন্য দিনের সেরা সময় কোনটি?

সকালের পড়ালেখা কি আপনার বেশি মনে থাকে? কিংবা ধরো গীটারের প্র্যাকটিসটা বিকেল বেলাইতেই বেশি ফলপ্রসূ মনে হচ্ছে? এক কাজ করো। একটা এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলো। ফোনের নোটে বা ডায়েরিতে আপনার দৈনন্দিন টাস্কগুলোর একটি রেকর্ড নিন। এরপরে দেখেন দিনের কোন সময়ে কোন কাজটি করলে আপনি সবচেয়ে বেশিক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারছেন আর কাজটিও আপনার কাছে ইফেক্টিভ মনে হচ্ছে। এভাবে রেকর্ড নেয়ার ফলে আপনার প্রোডাক্টিভিটি কার্ভ সম্পর্কে আপনার একটি সুস্পষ্ট ধারণা হবে এবং সেই অনুযায়ী আপনি আপনার রুটিন তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

এভাবে ইফেক্টিভ পদ্ধতিতে প্রোডাক্টিভ রুটিন তৈরি করতে পারলে আপনার প্রোডাক্টিভিটিও বাড়তে শুরু করবে।