ওয়েব ডেভেলপমেন্টে পাইথনের কিছু ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Django এবং Pyramid। তাছাড়া কিছু মাইক্রো ফ্রেমওয়ার্ক আছে (যেমনঃ Flask এবং Bottle)। Kivi নামক ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করা যায়। এমনকি পাইথন দিয়ে গেম বানানো যায়।

এছাড়া পাইথনের আরো ব্যবহার রয়েছে। যেমনঃ মেশিন লার্নিং,গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেস, বিজনেস অ্যাপলিকেশন, ডেটা সাইন্স,  নিউমেরিকাল প্রোগ্রামিং, ডেটা অ্যানালাইসিস, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পাইথন শুধুমাত্র ছোট কোম্পানিতেই ব্যবহার হয়না। গুগুল সার্চ ইঞ্জিনে পাইথনের প্রোগ্রামিংয়ের ব্যবহার রয়েছে। তাছাড়াও ফেসবুকের প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, নাসার অটোমেশন টুল, ইয়াহু ম্যাপ, ড্রপবক্স, ইউটিউব  ইত্যাদিতে ব্যবহার রয়েছে।

পাইথনের কিছু জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্কঃ
পাইথনের বেশ কিছু ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে। সেগুলো হলোঃ NumPy, Pylons, Tornado, Pyramid, Flask, WEB2PY, Bottle, Django, SciPy ইত্যাদি।

যারা পাইথন প্রোগ্রামিং শুরু করতে চায় তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হচ্ছে, পাইথন শেখা শুরু করার আগে অন্য কোনো প্রোগ্রামিং আগে ল্যাঙ্গুয়েজ (যেমন সি, সি++) শেখা শেষ করা। এতে আপনার ওই ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে ধারণা হবেই সাথে এটা ভালো মতো শিখতে পারবেন।