ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায় ? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান?তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি। গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কি ভাবে শিখতে পারি।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে গ্রাফিক্স ডিজাইন আসলে কি! আচ্ছা তার আগে আমাকে বলুন এমন কিছু কি আছে যাতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নেই?! সব কিছুতে ডিজাইন আছে, পৃথিবী-পৃথিবীর বাইরে সব কিছুতেই একটা ডিজাইন আছে। তা প্রাকৃতিকভাবে হোক বা কৃতিমভাবে। আপনি হয়ত তা দেখার চেষ্টা করছেন না বা খেয়াল করছেন না। একটু খুজে দেখুন কোন জিনিসটায় ডিজাইন নেই!

এবার আসুন সংজ্ঞায় দেয়ার চেষ্টা করি…নিজের মত করে সংজ্ঞা দিচ্ছি, আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের সংজ্ঞা এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়..তারপরও চেষ্টা করছি..

” যা কিছু ডিজাইনড সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন ”

”একটি ক্রিয়েটিভ প্রসেস যা আর্ট এবং টেকনোলজী এর সমন্বয়ে আইডিয়াগুলো প্রকাশ করে তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে” (আমি আর্ট ও টেকনোলজী …আমার নিজের থেকেও বেশি পছন্দ করি)

বিখ্যাত ডিজাইনার Neville Brody এর মতে”ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…আমি বাংলায় হয়তো ঠিক ভাবটা প্রকাশ করতে পারিনি তবে তিনি এই সংজ্ঞায় অনেক কিছু বোঝাতে চেষ্টা করেছেন)

উপরের সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষন করলে যা পাই তা হল… গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনার মনের ভাব, কিছু প্রয়োজন, তথ্য ও কালারের সমন্বয়ে আর্ট ও টেকনোলজীর সাহায্যে উপস্থাপন করতে পারবেন।

উপরের সংজ্ঞাগুলোয় আসলে টেকনিক্যাল দিকগুলো ফুটে ওঠে যা হয়তো কারো কারো কাছে বুঝতে কঠিন হতে পার…

আরওএকটু সহজ করে দিই..Nothing is better than example…

আপনি হয়তো লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ইন্টেরিওর-এক্সটেরিওর ডিজাইনের কথা শুনে থাকবেন

একটা লোগোতে একটা কোম্পানীর বিষয়বস্তু/নাম/বর্ননা/কাজ ইত্যাদি ডিজাইনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়একটা বিজনেস কার্ডে ডিজাইনের মাধ্যমে একজন বিজনেসম্যান এর বিভিন্ন তথ্যগুলো দেওয়া হয়একটা ইন্টেরিওর বা এক্সটেরিওর ডিজাইনে একটা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন করা হয়

এরকম উদাহরন আরও দেয়া যায়..আস্তে আস্তে পাবেন এগুলো সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?

আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেনএকজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।

ওয়েব পেইজকে বানিয়ে ফেলুন একটি ইমেজ

গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সংজ্ঞাই যেহেতু মৌলিকভাবে দেয়া যাচ্ছে না অর্থাত নির্দিষ্ট করে দেয়া যাচ্ছে না, আপনার এ প্রশ্নের উত্তরও নির্দিষ্ট করে দিতে হিমশিম খেতে হয়!

উপরের কথাগুলো বিশ্লেষন করলেই আপনি হয়ত আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আবারও বলছি আপনার আশেপাশের বস্তুগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন দেখুন তাতে একটি ডিজাইন আছে এবং তা একটি অর্থও প্রকাশ করছে এবং তার একটি প্রয়োজনও আছে।মূলত এ বিষয়গুলোর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইন।

সৃষ্টির শুরু থেকেই সবকিছুতে ডিজাইন ছিল..ডিজাইন হচ্ছে.. ডিজাইন হবে

মানুষের হাতে ডিজাইন করা শুরু হয় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ বছর আগে থেকে। তবে নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন গুহায় যে প্রমান পাওয়া যায় তাতে বলতে হয় এর শুরু অনেক আগে থেকেই। আর এটা শুরু হইছে মানুষের প্রয়োজনেই। খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ বছর আগের একটি নিদর্শন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে যেটিই মানুষের হাতে সবচেয়ে আগের জটিল ডিজাইন বলে ধারনা করা হয়(পিকচার দিতে পারছি না বলে দু:খিত…আমার কাছে এর একটি পিকচার আছে )

সেখান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অনেক বছর চলে গেছে। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন আর সেদিনের কথা একবার চিন্তা করুন অনেক কিছু ডিজাইন করা হইছে..অনেক নতুনত্বের সৃষ্টি হইছে…সুন্দর থেকে সুন্দরতর! সবই মানুষের প্রয়োজনে। আগে করা হত মাটিতে, পাতায়, খাতায় আর এখন করা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আরও সুন্দর করে

এত বকবক করার মূল কারন হল..শুধু এটুকই বলতে চাই গ্রাফিক্স ডিজাইন/ডিজাইন মূলত মানুষের প্রয়োজনেই তা মনের খোরাক মেটানোর জন্য হোক বা পেশা হোক বা ব্যবসায়িক কারন হোক মূলত মানুষের প্রয়োজনেই ডিজাইন।

►একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-▼

→ ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।

→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে:সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

→ জার্নাল:বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।

→ কর্পোরেট রিপোর্টস:এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।

→ মার্কেটিং ব্রোশিউর:এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।

→ সংবাদপত্র:গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।

→ ম্যাগাজিন:এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।

→ লোগো ডিজাইন:একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

→ ওয়েবসাইট ডিজাইন:সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।

এখন বলি ডিজাইন করতে কি প্রয়োজন? প্রথমে ১। এ্যালিমেন্টস (Elements) ও ২। ইকুইপমেন্ট (Equipment) গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে গেলে যে বিশেষ সফটওয়্যার গুলো প্রয়োজন তা নিম্নে দেওয়া হল:

learning the graphics design

  1. Adobe Photoshop
  2. Adobe Illustrator
  3. CorelDraw Graphics Suite X5
  4. Adobe In design
  5. Adobe Flash
  6. Corel Paint Shop Photo Pro X3

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে যে অফশন গুলো আগে জানতে হবে-

  • টুলবক্সের যাবতীয় টুল গুলোর কাজ পুংখানু পুংখানু ভাবে শিখতে হবে।
  • বিভিন্ন ধরনের প্যালেট গুলোর ব্যবহার জানতে হবে।
  • কাস্টমাইজড ইলাস্ট্রেটর সর্ম্পকে
  • ডকুমেন্ট সেটআপ
  • ফ্রিফারেন্স সেট করা
  • ফন্ট সর্ম্পকে
  • ফিল্টারিং
  • কালার ম্যানেজমেন্ট
  • সাইজ
  • ফরমেট
  • রেজলুশন
  • ফোরগ্রাউন্ড
  • ব্যাকগ্রউন্ড

আউটসোর্সিং :

এ গ্রাফিক্স ডিজাইন বিশাল সম্ভবনা- যা আপনি অনলাইন জগতে সেরা কাজের বিশাল জগত যে কোন একটা সেক্টারে আপনি কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। নিম্নে আউটসোর্সিং নিয়ে ৮১টি কাজের তালিকা দেওয়া হল একটু দেখে নিবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনলাইন অায় করুন- কোন সেক্টরে কাজ কাজ শিখবো? নিম্নে কিছু গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিষয় ভিক্তিক কাজের তালিকা দেওয়া হল এর মধ্যে যে কোন একটি আপনার পছন্দ অনুযায়ী কাজ শিখে অনলাইনে আয় করতে পারেন: গ্রাফিক্স ডিজাইন (লোগো ডিজাইন, ব্যবসা কার্ড, কার্টুন, পোস্টার বুক কভার ও প্যাকেজিং, ওয়েব ও মোবাইল ডিজাইন, সামাজিক মিডিয়া ডিজাইন, ব্যানার বিজ্ঞাপন, ফটোশপ এডিটিং, 3D এবং 2D মডেল, টি-শার্ট, ইনফোগ্রাফিকস, ভেক্টর ট্রেসিং, লোগো ডিজাইন)

অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটটরের ভিতরে যে টুল বিভিন্ন অফশন রয়েছে তার পরিচিতি:

  • অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর ইনস্টল করা
  • অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর স্ক্রিন পরিচিতি
  • ভেক্টর ইমেজ ও রাস্টার ইমেজের পার্থক্য
  • টুল বক্সের সব উপাদান
  • বিভিন্ন ধরনের প্যালেট এর ব্যবহার
  • কাস্টমাইজ ডকুমেন্ট
  • ডকুমেন্ট সেটআপ
  • প্রিফারেন্স সেট করা
  • রুলারস অনুশীলনী করা
  • চতর্ভূজ ও উপবৃত্ত তৈরি করা
  • পরিগন টুল, স্টার টুল, স্পাইরাল টুল
  • আর্টওয়ার্ক সেভ করা
  • সিলেকশন টুল বিভিন্ন ভাবে
  • ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল
  • গ্রুপ সিলেকশন টুলের মাধ্যমে অবজেক্টকে বাছাই করা
  • লুক অবজেক্ট বাহির
  • লুকানো সিলেকশন
  • লেয়ার এবং লেয়ার প্যালেট চয়েস
  • নতুন লেয়ার তৈরি
  • লেয়ার এডিট
  • লেয়ার লক করা লুকানো
  • লেয়ার মার্জ করা
  • লেয়ারের মধ্যে উপাদান সমূহ মুভ  বা কপি করা
  • পেন টুল এর ব্যবহার
  • ওপেন এবং ক্লোজড পাথ তৈরি করা
  • অ্যাক্কর পয়েন্ট টুল , ডিলিট অ্যাক্কর পয়েন্ট টুল এবং কনভার্ট অ্যাক্কর পয়েন্ট টুল
  • স্মুথ টুল, ইরেজ টুল, রিশেপ টুল, সিজার্স টুলএবং নাইফ টুল
  • ব্রাশ প্যালেট, ফিল এবং স্ট্রোক
  • কালার প্যালেট. কালার মডেল এবং কাস্টম কালার
  • আইড্রপার ও পেইন্ট বাকেট টুলসের ব্যবহার
  • ট্রান্সফরমেশন টুল
  • ট্রান্সফর্ম, অ্যালাইন, এবং পাথ ফাইন্ডার প্যালেট
  • ডিভাইড/ট্রিম/মার্জ/ক্রোপ/আউটলাইন
  • টাইপ টুল, পয়েন্ট টেক্সট,এরিয়া টেক্সট এবং লিস্ক টেক্সট
  • পাথে টেক্সট টাইপ, পাথ বরাবর টেক্স মুভ
  • ক্যারেক্টর প্যালেট এবং প্যারাগ্রাফ প্যালেট কমান্ড
  • ট্যাব প্যালেট, এমএম ডিজাইন প্যালেট