ফারাক ওস্তাদ আর শিষ্য।
একঃ
ছয়জনের পুলিশ টিম সন্ত্রাসীর খোঁজে তার বাড়িতে গেল। একজন ইনস্পেক্টর আর বাকিরা এস আই এবং সিপাহী। সন্ত্রাসীর বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া গেল না। তার এক বৃদ্ধ খালা থাকে। সে তার বাড়ির দুইটা রুম ভাড়া দিয়ে কোন রকমে চলে। পুলিশ দেখে মহাই চেতা।

সুজন কই থাকে আমি জানি না। বাড়িতেও আসে না। ও খারাপ হয়ে গেছে। বাপু তোমরা ওকে যেখানেই পাও ধরে নিয়ে যাও বা গুলি করে মেরে ফেল।

ইনস্পেক্টর বলে যে, খালাম্মা আমাকে এক গ্লাস পানি খাওয়ান। পানি খাবার সময় বলে যে, খালাম্মা আপনার শাড়িটা কিন্তু দারুন। আমার মার জন্য এমন একটা শাড়ি কিনব ভাবতেছি। খালাম্মা মুচকি হাসি দিল। আর বলল,
শয়তানে আমার সাথে যোগাযোগ করে না। তবে উত্তর পাড়ার ফাহিমের সাথে ফোনে কথা কয়। মনে হয় দেখাও করে। যাক একটা ক্লু পাওয়া গেল।
.
তিনদিন পর। ইনস্পেক্টর এস আই জুয়েলকে বলল, আজকে তুমি যাও। আগে বাড়ির আশে পাশে খোঁজ খবর করবা। তারপর বাড়িতে ঢুকবা। খালাম্মাকে আমার সালাম দিবা।
.
এসআই খালাম্মাকে নিজের এবং ইন্সপেক্টরের সালাম দিল। বলল, খালাম্মা আপনাকে অনেক সুন্দর লাগছে গো। শাড়িটাও অনেক চমৎকার।
.
এই হারামজাদা, কি কছ তুই? আমার এই বয়সে তুই আমারে কি কইছছ? খাড়া তুই। ঝাটা বের করে দাবাড়।
.
ফিরে এসে এসআই জুয়েল ইন্সপেক্টরকে বলল,
স্যার, আপনাকে দেখলাম। আমিও তাই করলাম। আমাকে কি গালাগালিই না করল। আবার ঝাঁটা নিয়ে দাবাড় দিল। স্যার ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলবেন?
ইনস্পেক্টর একটু হেসে দিয়ে বলল, ঠিক আছে পরে এক সময় বলব।
.
দুইঃ
অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। পরে এক সময় লিখব।