আর্টিকেল রাইটিং একটি ছোট শব্দ হলেও এর বিশালতা অনেক আপনার লিখার মাধুর্যের উপর নির্ভর করছে আপনার ব্লগটি কি পরিমান জনপ্রিয়তা পাবে অনলাইন বিশ্বে। যাই হোক আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো বিষয়ের উপরে গুরুত্বারোপ করতে হবে। একজন সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম। তো চলুন দেখে নেই কীভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে যা অনলাইন বিশ্বে জনপ্রিয় হবে।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এ ব্যার্থ হওয়ার কিছু কারন।

আর্টিকেল রাইটিং কি :

অফপেজ অপটিমাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং। কেননা, অনলাইন  বিশ্বে আপনার সাইটটি কি পরিমান জনপ্রিয়তা পাবে তা আপনার সাইটের আর্টিকেল রাইটিং এর উপরই নির্ভর করবে। আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো বিষয়ের উপরে গুরুত্বারোপ করতে হবে। একজন সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে আর্টিকেল রাইটিং-এর গুরুত্ব অপরিসীম।

তা ছাড়াও আর্টিকেল রাইটিং হচ্ছে একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
যাদের ইংরেজীতে রয়েছে অগাধ দক্ষতা তারাই নিজেদেরকে রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন অনায়াসে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে বিভিন্ন উদ্দেশে আর্টিকেল লিখা হয়। ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও প্রডাক্টের রিভিঊ, সারভিসের সেলস পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারনার কাজে রাইটারদের আরটিকেল লিখার প্রয়োজন হয়।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? তাহলে, আল্টিমেট গাইডলাইন গুলো পড়ুন।

কি ভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লেখা যায় :

আর্টিকেল রাইটিং শব্দটি ছোট হলেও এর তাৎপর্য অনেক, আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। একজন সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম। তো চলুন দেখে নেই কীভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে।

প্রথমত আপনাকে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হল আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন সে বিষয়ের উপরে আপানার পর্যাপ্ত ধারনা থাকতে হবে। এবং আপনি যেই বিষয়টি উপস্থাপন করতে চান তা সহজ সরল অর্থাৎ সকলের বোধগম্যভাষায় উপস্থাপন করতে হবে। প্রয়োজনে উক্ত বিষয়ের উপরে গবেষণা করে নিতে পারেন। যাতে করে আপানার আর্টিকেল লিখতে কোন সমস্যা না হয়।

অনেকে আছেন,যারা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আর্টিকেল স্পিন করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার এর সাহায্য নেন, সফটওয়্যার দিয়ে আর্টিকেল লিখলে আর্টিকেল এর মানে ঠিক থাকে না। তবে যারা এসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন,তারা আর্টিকেল স্পিন করার পর আর্টিকেলের মানের ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে যেন লেখার মানের কোন ব্যাঘাত না ঘটে। তবে আমি আর্টিকেল স্পিন করে লিখাকে একদম সমর্থন করিনা কারন এতে করে আপনার জনপ্রিয়তা কমতে থাকবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কি ভাবে শিখতে পারি।

সতরাং একজন ভাল এবং সফল এসইও এক্সপার্ট হতে হলে আপানাকে অবশ্যয় আর্টিকেল রাইটিং এর ব্যাপারে বিশেষ জ্ঞান থাকতে হবে।

কি নিয়ে লিখবেন

প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে যে আপনি কি নিয়ে লিখতে যাচ্ছেন। লেখার বিষয় নির্দিষ্ট না থাকলে কিছুই লিখতে পারা যায় না। তাই আগে আপনার লেখার বিষয় টা ফিক্সড করে নিতে হবে।

রিসার্চ

যে বিষয়ে লিখতে যাচ্ছেন সেই বিষয়ে আপনার কেমন জানা আছে ? যদি ভালো জানা থাকে তো ভালো। আর যদি ভালো জানা না থাকে তখন ?

হ্যাঁ, তখন আপনাকে একটু সময় খরচ করে ওই বিষয় টা নিয়ে রিসার্চ করতে হবে। আর যদি ভালো জানা ও থাকে, তারপর ও লেখা শুরু করার পূর্বে একটু রিসার্চ করে নেয়া ভালো। এই বিষয়ের মেইন কিওয়ার্ড টা দিয়ে গুগলে রেঙ্কিং এ টপে থাকা ৩-৪ টা ওয়েবসাইট এর আর্টিকেলগুলো দেখে নিতে পারেন অথবা ওই গুলা পড়ে নিতে পারেন। এতে করে আরও ভালো ধারনা পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল জেনে নিন।

ওই আর্টিকেলগুলো যেমন ই হোক, আপনি মনে বাসনা রাখবেন যে এর চেয়ে ভালো আর্টিকেল লিখবেন। আপনি তাদের লিখাগুলো খুব ভালো করে খুঁটিয়ে দেখবেন। কিন্তু তাদের লেখার ছাপ যেন আপনার আর্টিকেল এ না ডুকে সেই দিকে কড়া নজর রাখবেন।

আপনার লেখার স্টাইল, কোন বিষয়ে কিছু ডেলিভার করার স্টাইল, আর্টিকেলটির মাধ্যমে কিছু বোজানোর স্টাইল সব কিছু আলাদা এবং মানসম্মত করার চেষ্টা করবেন। চেষ্টা করতে থাকলে একদিন দুইদিনে হয়তো কিছু হবেনা। কিন্তু বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, ক্রমাগত লেগে থাকার ফলে একদিন না একদিন আপনি খুব ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

কিওয়ার্ড

সার্চ ইঞ্জিনে আপনার আর্টিকেল টা ভালো রেঙ্ক পাক, আপনি নিশ্চয়ই তা চান ? যদি চান, তবে আপনার উচিত কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। হেড কিওয়ার্ড এর চেয়ে লংটেইল কিওয়ার্ড ইউজ করলে আপনি রেঙ্ক পাবেন দ্রুত। আর লংটেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহারে ভিজিটর কিন্তু হিসেবে বেশিই পাবেন। সাধারণত ৩ বা ততোধিক শব্দ নিয়ে গঠিত কিওয়ার্ড কে বলা হয় লংটেইল কিওয়ার্ড। আর হেড ? ওই যে দুইটা বা একটা কিওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। হেড কিওয়ার্ড অনেক বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি

ডোমেইন কেনা-বেচা করে আয় করতে পারেন অনেক টাকা।

আপনি যখন আর্টিকেল লিখবেন, তখন এই বিষয় টা ও মাথায় রাখতে হবে। আপনি আর্টিকেল লিখবেন মানুষের জন্য। আপনার আর্টিকেল এর এক মাত্র পাঠক কিন্তু মানুষ, সার্চ ইঞ্জিন না। একটা ১০০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল এ বারবারএকই কিওয়ার্ড পড়তে গিয়ে আসলে সেটা বিরক্তিকর লাগে না ? তাই কিওয়ার্ড ইউজ করতে হবে মেপে মেপে। সাধারণত ৩-৪% এর বেশি ব্যাবহার না করাই ভালো। আর বেশি কিওয়ার্ড ইউজ করলে আপনার আর্টিকেল পড়তে গিয়ে মানুষ যেমন বিরক্ত হবে, তেমনি সার্চ ইঞ্জিন বেচারারা ও মাইন্ড খাবে। আপনাকে উপরে তোলার পরিবর্তে নিচে নামিয়ে দিবে ! আপনি নিশ্চয়ই তা চান না ?

সূচনা 

এতক্ষণ কথা চলছিলো আর্টিকেল লিখার পূর্বপ্রস্তুতির বিষয়গুলো নিয়ে। এখন সোজা কিভাবে লিখতে হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। ভালোভাবে শুরু করতে পারাটায় ও অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেক ভিজিটর আপনার আর্টিকেল এর প্রথম দুইতিন টা লাইন পড়েই চেষ্টা করবে ভিতরে কি আছে তার ধারণা নিতে। ওই বেচারার আর দোষ কি, আপনি নিজেও তো এমন করেন ? করেন না ?

আচ্ছা কোন আর্টিকেল লিখার জন্য যে স্টার্টিং টা করেন, সেটা কিভাবে করেন ? যেনতেনভাবে শুরু করাটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, তাই না ?

সুচনাতে আপনি বলতে পারেন ভিজিটরদের আকাঙ্ক্ষা কি এই বিষয়ে এবং আপনার এই আর্টিকেল টি কি কি বিষয়ে বর্ণনা করতে চলছে।

কি ধরনের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করা ভালো হবে।

উদাহরণ হিসেবে আমার এই আর্টিকেল টির সূচনাটাই লক্ষ্য করেন না হয় ! আরেকটা বিষয় লক্ষ্য রাখবেন লেখা শুরুর করার সময়। যারা দুই-ছাড় লাইন পরেই ভিতরের ভাব-সাব বুজে এর পর পুরাটা পড়তে চায়, তাদের জন্য আপনাকে একটু ভাবতে হবে। সূচনা পর্যায়ে এমনভাবে কিছু শব্দ উপস্থাপন করুন, যাতে ওই বেচারা ভিতরে কি আছে তা পড়তে আগ্রহী হয়।


আর্টিকেল বডি

এই রে !!! মুল অংশে চলে আসলাম ! আর্টিকেল এর প্রায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু ব্যাপারটা লিখা অনেক সহজ ! কিভাবে ?

মনে আছে আপনি সূচনা পর্বে কি বলেছিলেন ? আপনি বলেছিলেন যে আপনি ভিতরে এই এই আলোচনা করবেন। এখন বডি তে এসে সেই সেই আলোচনাই করুন না !!! আপনাকে বেঁধে রেখেছে কে !!!

হুম, বডি তে এসে যে বিষয়ে আর্টিকেলটি রচনা করতে যাচ্ছেন, সেই বিষয়ে ভালো করে আলোকপাত করুন। ভিজিটরকে ভালো করে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করুন। তাকে এই বিষয়ে পারলে ক্লিয়ার করে তলুন। যতো বেশি আপনি তাকে বোজাতে পারবেন, তত বেশি আপনার আর্টিকেল এর সফলতা।

কিভাবে ফাইবারে সুন্দরভাবে গিগ তৈরি করতে পারি।

উপসংহার 

এইটা লেখা তো আরও সহজ ! বডি তে কি বলেছিলেন মনে আছে ? আর সূচনাতে ? হুম, সেটাই এবার ইউজ করবেন। কিভাবে ?

উপসংহার  এ এসে বলতে পারেন যে বিষয় টি আসলে কেমন শিখার জন্য বা পড়ার জন্য বা কেরিয়ার হিসেবে বা যে ক্ষেত্রে মানায়, সেই ক্ষেত্রে। তাছাড়া, ভিজিটর আর্টিকেল এ কি রকম বিষয়ে ধারণা পেলো, সেই বিষয়ে ও বলতে পারেন। আর উপসংহার  পারলে ছোট্ট একটা প্রশ্ন দিয়ে শেষ করবেন। এই ছোট্ট প্রশ্নটা সব আর্টিকেল ই যে করা যাবে তা না কিন্তু। এইটা আপনার উপসংহার  এর প্রথম দিকে বক্তব্য এর সাথে মিল খেলেই আপনি করতে পারবেন।

কিভাবে আর্টিকেল লিখে অনলাইন টাকা আয় করা যাবে ? (সেরা মাধ্যম)

ওপরে শিরোনামে আমি লিখেছি কনটেন্ট লিখে আপনি $১০০ থেকে $৫০০ মধ্যে সহজে কামিয়ে নিতে পারবেন, এবং এইটা কেবল মিনিমাম একটি আয়ের সংখ্যা। লোকেরা online content writing এর মাধ্যমে এর থেকে বেশি টাকা আয় করছেন প্রত্যেক মাসে। তবে হে, সেটা নির্ভর করে, আপনার writing skills, যোগ্যতার এবং কর্মক্ষমতার ওপর আর তার সাথেই, আপনি কোন মাদ্ধম ব্যবহার করে আয় করছেন সেটার ওপরে। কনটেন্ট রাইটিং একটি বিসনেস হিসেবেই নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন।

১. Blogging এর মাধ্যমে আর্টিকেল লিখুন

যখনি আর্টিকেল লেখনের মাধ্যমে আয়ের কথা আসবে,আমি blogging কেই সেরা এবং শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হিসেবে বাছাই করবো। একটি ব্লগ বানিয়ে তাতে আপনি নিজের মতো করে আর্টিকেল লিখতে পারবেন। আপনার যা লিখে ভালো লাগে ঠিক ওগুলোই লিখতে পারবেন। উদাহরণ স্বরূপে, আপনি যদি ইংরেজি জানেননা তাহলে হিন্দি বা বাংলা কনটেন্ট লিখে আয় করতে পারবেন। যেরকম আমিকরছি।

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলো যে ভাবে প্রতারণা করে।

ব্লগ বানিয়ে টাকা আয় করার প্রক্রিয়া অনেক সোজা। এবং, আপনি চাইলে নিজেই একটি ব্লগ বানিয়ে তাতে আর্টিকেল লিখে তারপর ব্লগে গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে বা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। পুরোটাই একটি সহজ এবং লাভজনক মাধ্যম যার দ্বারা আপনারা রেগুলার টাকা আয় করতে পারবেন। এই blogging এর মাধ্যমে আর্টিকেল লিখে দেশ বিদেশের হাজার হাজার লোকেরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন।

আপনি যদি, রেগুলার ভালো ভালো আর্টিকেল লিখেন তাহলে কেবল ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যেই মাসে প্রায় $১০০ থেকে $২০০ মধ্যে আয় করা স্টার্ট করতে পারবেন। এবং, তারপর আপনার আপনার কাজের ওপর নির্ভর কোরে এই আয়ের সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। কিন্তু, ইনকামের সংখ্যা আপনার কাজের ওপর এবং কনটেন্ট এর কোয়ালিটির ওপর পুরো নির্ভর করবে।

তাহলে, আপনিও যদি blogging এবং কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম করতে চান, তাহলে নিচে এই বিষয় গুলি পড়ুন।

ওপরে যা যা লিংক আমি দিয়েছি, সেগুলিতে গিয়ে আর্টিকেল গুলি পড়লেই আপনারা ব্লগ চালু করার থেকে টাকা আয় করা অব্দি পুরোটাই বুঝে যাবেন।

শেষে, আমি একটা কথা আপনাদের বলে দিতে চাই। অন্য মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি কত আয় করবেন সেটার কোনো আইডিয়া আমার নেই। কিন্তু, যদি আপনি ব্লোগ্গিং কে মন দিয়ে এবং আগ্রহ দিয়ে শিখে তারপর তাকে চালু করেন, তাহলে এ আপনাকে এত্ত টাকা কামিয়ে দিয়ে পারবে, সেটার ধারণাও আপনি করতে পারবেননা।

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলো যে ভাবে প্রতারণা করে।

এখানে পুরোটাই ভালো ভালো আর্টিকেল লিখার ওপর নির্ভর। আমি নিজেই, কেবল আমার এই বাংলা ব্লগে বাংলাতে আর্টিকেল লিখে মাসে ভালো সংখ্যাই টাকা আয় করছি। এবং, এখন এই ব্লগ আমার একটি পার্ট টাইম বিসনেস হিসেবে আমি চলাছি।

২. অন্যদের ব্লগে পেইড গেস্ট পোস্টিং (guest posting) করে

Paid guest posting এমন একটি সার্ভিস যার মাধ্যমে আপনি অন্যদের ব্লগে guest posting এর মাধ্যমে আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করতে পারবেন। আজ, অনেক ব্লগ বা ওয়েবসাইট owner রয়েছেন যারা নিজেদের ব্লগের জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পাননা। এবং, তাই তারা তাদের ব্লগে আর্টিকেল লেখার জন্য অন্য লোকেদের আগ্রহ করেন paid guest posting এর মাধ্যমে।

এবং, আপনি যদি তাদের ব্লগে paid guest post এর মাধ্যমে ব্লগের টপিক বা বিষয়ের সাথে জড়িত কনটেন্ট লিখেন তাহলে তারা আপনাকে কিছু টাকা সেই আর্টিকেল লেখার জন্য দেন। কিন্তু, আপনাকে original, ভালো এবং তাদের ব্লগের সাথে রিলেটেড (related) কনটেন্ট লিখতে হবে। তাহলেই, তারা আপনাকে সেই লেখনের জন্য টাকা দিবে।

আপনি, এরকম paid guest posting সাইট বা ব্লগের বিষয়ে গুগল বা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন Facebook বা twitter আদিতে খুঁজতে পারবেন। Facebook এ অনেক digital marketing পেজ বা guest page রয়েছে যেগুলিতে এরকম ধরণের guest posting এর কাজ বা guest posting ব্লগ এর ব্যাপারে লোকেরা শেয়ার করেন।

আপনি যদি কয়েকটি ভালো ভালো paid guest posting এর জন্য ব্লগ পেয়েযান, তাহলে তাদের জন্য রেগুলার লিখেই আপনি ভালো টাকা অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন। অনেকেই করছেন।

আমি, অনেক বাংলা ব্লগ দেখেছি যেগুলিতে আপনারা directly রেজিস্টার করে সেখানে আর্টিকেল লিখে সেগুলির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। গুগলে সার্চ করলে আপনারা এরম অনেক ব্লগ পেয়েযাবেন।

৩. Article revenue sharing websites এর মাধ্যমে

আপনারা কি জানেন, আর্টিকেল লিখে টাকা ইনকাম করার অনেক ওয়েব সাইট রয়েছে যেগুলি ব্যবহার কোরে আপনারা ঘরে বসেই অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন। এগুলু কে “Article revenue sharing site” বলে। কিন্তু হে, এগুলি সাইটে আপনারা যা তা লিখলে হবেনা। আমি ওপরে বলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলি ব্যবহার কোরে কনটেন্ট লিখতে হবে এবং original নিজে লেখা কনটেন্ট হোতে হবে।

তাছাড়া, আর্টিকেলের সংখ্যা ১৫০০ থেকে বেশি হলেই ভালো। শেষে, যদি সেই ওয়েবসাইট গুলি যদি আপনার লেখা কনটেন্ট গ্রহণ (accept) করেন তাহলে তারা তারপর আপনাকে সেই আর্টিকেলের জন্য টাকা দিবেন। এগুলি সাইট ব্যবহার করে রেগুলার আর্টিকেল লিখলে আপনারা ঘরে বসেই  ২০০$ থেকে ৫০০$ কামিয়ে নিতে পারবেন। চলেন, সেই ওয়েবসাইট গুলির বেপারে জেনেনেই।

আর্টিকেল লিখে আয় করার সেরা ওয়েবসাইট

এই ওয়েবসাইট গুলি আমি নিজেই ব্যবহার করে দেখিনাই। কিন্তু হে, অনেক অনলাইন রিভিউ পোড়ে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমি এই ওয়েবসাইট গুলির ব্যাপারে খোঁজ পেয়েছি। তাই, আপনারা এই সাইট গুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

১. Kalaage – কনটেন্ট লিখুন ইনকাম করুন

Kalaage.com – এখানে আপনারা যেকোনো ধরণের আর্টিকেল লিখতে পারবেন। এবং, আর্টিকেল লিখে তাকে সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আপনার শেয়ার করতে হবে। আর্টিকেল শেয়ার করার পর যখন আপনার আর্টিকেলে ২০০ views এবং ১০ টি nice read বা like হয়ে যাবে তখন আপনাকে সেই লেখা আর্টিকেলের জন্য টাকা দেয়া হবে।

Write articles and earn money online .

আপনার কেবল Kalaage register পেজে গিয়ে একাউন্ট বানাতে হবে এবং “start writing” লিংকে ক্লিক করে কনটেন্ট (article) লিখতে হবে। তারপর Facebook বা অন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের আর্টিকেল শেয়ার করুন এবং টাকা ইনকাম করুন। আপনি একটি আর্টিকেলের দ্বারা Rs.৩০০ অব্দি আয় করতে পারবেন।

২. Author.oyewiki.com – Earn with each view

কনটেন্ট লিখে আয় করার ওয়েবসাইট গুলির মধ্যে, Author.oyewiki.com ওয়েবসাইটের ব্যাপারে জেনে আমার অনেক ভালো লেগেছে। কারণ, এখানে আপনাকে দুই রকমে অনলাইন ইনকামের (online income) সুযোগ দেয়া হয়।

Earn online with each article view.

প্রথম, আর্টিকেল লিখে তাতে হওয়া প্রত্যেক view এর ওপরে আয়। এবং, দ্বিতীয়তে আপনি এই ওয়েবসাইটের যেকোনো আর্টিকেল সোশ্যাল মিডিয়াতে (Facebook, Twitter etc.) শেয়ার করতে পারবেন আর শেয়ার করা আর্টিকেল গুলিতে যত ভিউ হবে আপনি টাকা ইনকাম করবেন। আপনাকে একটা Dashboard দিয়ে দেয়া হবে। Dashboard এ আপনি নিজের income report এবং অন্য ডিটেলস পেয়েযাবেন।

ডোমেইন কেনা-বেচা করে আয় করতে পারেন অনেক টাকা।

৩. OpinionsWall- write and earn

এখানে আপনার সোজা একটি opinionswall একাউন্ট বানিয়ে নিতে হবে। মনে রাখবেন, যাতে আপনি নিজের একাউন্ট ডিটেলস ভালো করে দেন। তারপর এখানে ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে। আপনি যেকোনো টপিকে লিখতে পারবেন। কিন্তু, আপনার লেখন যাতে অরিজিনাল হয় এবং কোনোখান থেকে যাতে কপি করা চুরি করা না হয়।

কনটেন্ট লিখে অনলাইন আয়

আমি এই ওয়েবসাইটের ব্যাপারে অনেক ভালো ভালো রিভিউ পড়েছি। লোকেরা বলছেন যে, এখানে তারা নিজের মতো করে কনটেন্ট লিখছেন এবং তার থেকে ঘরে বসে অনলাইন আয় করছেন। এখানে আপনারা আর্টিকেল লিখে, শেয়ার করে, কমেন্ট করে বা লাইক করে আয় করতে পারবেন।

শেষে, আপনার এখানে কনটেন্ট লেখার জন্য এক্সপার্ট (expert) হতে হবেনা। আপনার লেখনে যদি কোনো ভুল হয়, সেগুলি content editor team তাদের তরফ থেকে ঠিক করে দিবে। আপনি খালি ভালো ভালো বিষয়ে লিখুন আর ইনকাম করতে থাকুন।

এখানে আয় করা টাকা আপনারা Google pay এবং Bank transfer এর মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।

Some other websites

এগুলি ছাড়া আরো অনেক সাইট রয়েছে আর্টিকেল লেখনের দ্বারা ইনকাম করার জন্য। যেমন

তাহলে, ওপরে বলা নিয়ম বা ওয়েবসাইট গুলি ব্যবহার করে আপনারা নিজের আর্টিকেল লিখে আয় করার সুযোগ উঠিয়ে নিতে পারবেন। মনে রাখবেন, এই ওয়েবসাইট গুলি আমি নিজেই ব্যবহার করে দেখিনাই। ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যম এবং রিভিউ পোড়ে আমি এই সাইট গুলির বেপারে আমি আপনাদের বললাম।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কি ভাবে শিখতে পারি।

আমাদের শেষ কথা

আশা করি বন্ধুরা আমি আপনাদের, আর্টিকেল কি, কিভাবে আর্টিকেল লিখবেন এবং আর্টিকেল লিখে অনলাইন ঘরে বসে টাকা আয় করার কিছু ভালো মাধ্যম এবং সাইট এর ব্যাপারে ভালো করে বুঝিয়ে বলতে পারলাম। আমার আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে শেয়ার অবশই করবেন। ধন্যবাদ।