আত্মতৃপ্তি
আমাকে সবচে বেশি চিনে আমার ভিতরের ‘আমি’ আর আমার মালিক।
১০-২০ ৮০ বছর বাঁচতে হতে পারে। ৫- ৮ -১০ বছরের সময় প্রত্যেকের মনে অনাবিল আনন্দ থাকে। বড় কথাই হচ্ছে জীবনের টেনশন বা দায় থাকে না । দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হছে যে, আমি আমাকে ভালো মানুষ হিসাবেই চিনি। সব কিছুতেই অনাবিল নিখাদ আনন্দ।
.
ধীরে ধীরে বড় হতে থাকি। আমি যদি কখনো কোন ভাবে একটা খারাপ কাজ, একটা পাপের কাজ একবার করে ফেলি তাহলে আমার ভিতরের আমি আমাকে খারাপই জানবে। সেটা যদি ২১ বছর বয়সে করি এবং ৮১ বছর বাঁচি তাহলে বাকি ৬০ বছরের জন্য আমার মনের বা ভিতরের সেই অনাবিল আনন্দ শেষ।
.

আর যদি করতেই থাকি, করতেই থাকি তবে এক সময় আমার ভিতরের আমি মারা যাবে। তাঁর আর কোন বোধ থাকবে না। সাদা কালো, ভালো মন্দ, হাসি কান্না – সব সমান হয়ে যাবে। আমি তা চাই না।
.
সামান্য একটা উদাহরণ দেই যেটা বড় কিছু না। পাপ করা বা না করার ব্যাপার না। যে কোন বয়সের মানুষের কথা বলছি। আপনাকে দিয়েই বলি।

আপনি যদি আপনার পেশাগত কাজ বা ছাত্র হলে অধ্যয়নের কাজ সময়মত ঠিক ঠাক ভাবে করেন এবং সেই সাথে নিজের ব্যক্তিগত কাজ যেমন, খাওয়া, স্নান, ঘুম, ধর্মীয় কাজ ইত্যাদি ঠিক মত করেন তাহলে আপনার মনে সেই রকম অনাবিল আনন্দ বিরাজ করবে।
কারন কি, আপনার ভিতরের ‘আমি’ আপনাকে ভালো জানতেছে এই জন্যে।

যেখানেই থাকুন, সঠিক দায়িত্ব পালন করুন, ডিসিপ্লিন মেনে চলুন, ভালবাসাবাসির মধ্যে থাকুন । সুখে থাকবেন, আনন্দে থাকবেন।
.
চাল চোর চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞেস করেন কেমন লাগছে তার। জীবনে এর চাইতে বড় কষ্ট আর হয় না। ধরা যাক আপন মানুষ তাকে ছেড়ে চলে গেছে। এই কষ্টের তুলনায় আপনা মানুষ হারানোর কষ্ট কিছুই না।