আন্তর্জাতিক নারী দিবস
(inernationalwomensday dot com থেকে গৃহীত)

একটি সমান বিশ্ব (নারী-পুরুষ সমান অর্থে) একটি সক্ষম বিশ্ব।
প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় ১৯১১ সালে। সেদিন দশ লাখ মানুষ এতে অংশ নিয়েছিল।
.
আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস একটি বিশ্বব্যাপী দিন যা নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সাফল্য উদযাপন করে – পাশাপাশি জেন্ডার সাম্যতা ত্বরান্বিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানায়।
.
এই সিম্বলটি সমতার উদ্দেশ্যে “কল টু এ্যাকশন”এর আহবান বুঝায়।
.
একটি লিঙ্গগত সমতার বিশ্ব স্বাস্থ্যকর, সম্পদশালী এবং অধিক সমন্বয়পূর্ণ হতে পারে।
নারী পুরুষ উভয় মিলেই সমাজ এবং বিশ্ব। আমরা প্রত্যেকে সমগ্রর একটি অংশ। উভয়ের অংশিদারীত্ত্ব – কথা, ব্যবহার, কাজ সব মিলেই এই পৃথিবী । কার চেয়ে কে আবার কম?
.
সমান হয়ে যাবে এই ধারণা পোষণ করে বসে থাকলে হবে না। সমতার বাস্তবায়নে এখনি উনভয়কেই পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সেই ভাবে চলতে হবে। পারিবারিক, সামাজিক, আর্থিক, রাষ্ট্রীয় ভাবে নারীকে সমান অধিকার ও প্রাপ্য মর্যাদা দিলে বিশ্ব হবে আরও সুখময় আরও বাসযোগ্য।
.
আমার কথাঃ
একদম গোড়ার প্রতিষ্ঠান হল পরিবার। সেই পরিবারে যারা নারীকে ছোট করে রাখেন এবং ছোট করে দেখেন, তারা পরিক্ষামূলক ভাবে এক সপ্তাহ প্রাপ্য অধিকার-মর্যাদা-সম্মান দিয়ে টেস্ট করে দেখতে পারেন আপনার পরিবারে সুখ- শান্তি বৃদ্ধি পায় নাকি কমে যায়। আর যদি বলেন যে, এদের হাতে সংসারের ক্ষমতা ছেড়ে দিলে সব ধ্বংস হয়ে যাবে তাহলেই বুঝা গেল আপনি ভুলের মধ্যে আছেন এবং আপনি সমান অধিকার দেন না এবং চানও না।

সবশেষে যেই সব নাদান বক্তা সভা অনুষ্ঠানে নারীকে নিয়ে মশকরা করে, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলে, অশালীন কৌতুক করে মুসুল্লীদেরকে হাসায় এবং বলে যে প্রতি সপ্তাহে না পিটাইলে ঘরের মানুষ ভালো থাকে না- তাদেরকে ছিঃ ছিঃ ধিক্কার জানিয়ে শেষ করছি। আসুন আমরা এইসব নাদান বক্তাদের পরিবারের সাথে আমরা কোন প্রকার আত্মীয়তা করব না বলে সিদ্ধান্ত লই।